ঢাকা   ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ । ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ । মঙ্গলবার । সকাল ৯:৫৩
ভাস্কর্যকে শিরক বলে আখ্যা দেয়া মামা বাড়ির আবদার : মাওলানা জিয়াউল

ভাস্কর্যকে শিরক বলে আখ্যা দেয়া মামা বাড়ির আবদার : মাওলানা জিয়াউল

ফ্রী ফায়ার ও পাবজি গেমসে আসক্ত, পড়াশোনা বিমুখ শিক্ষার্থীরা

ফ্রী ফায়ার ও পাবজি গেমসে আসক্ত, পড়াশোনা বিমুখ শিক্ষার্থীরা

উত্তরের জেলায় কমেছে তাপমাত্রা, বাড়ছে রাতে শীত

উত্তরের জেলায় কমেছে তাপমাত্রা, বাড়ছে রাতে শীত

করোনার ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত অসংখ্য প্রবাসীর পরিবার, বেছে নিচ্ছে আত্মহত্যার পথ

করোনার ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত অসংখ্য প্রবাসীর পরিবার, বেছে নিচ্ছে আত্মহত্যার পথ

বিশ্বে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১০ লাখ ৯৬ হাজার

বিশ্বে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১০ লাখ ৯৬ হাজার

মতামত

করোনা ভাইরাস থেকে জনসাধারণের সুরক্ষিত করার নিমিত্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কতৃক...বিস্তারিত পড়ুন

জিসান তাসফিক: প্রতি বছর ১৯ শে নভেম্বর আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস ধরা হয় এবং সমগ্র বিশ্বে...বিস্তারিত পড়ুন

স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য মানুষের নৈমেত্তিক প্রচেষ্টাই হলো সংস্কৃতি, আর অপসংস্কৃতি হলো এর বিপরীত। আত্মার...বিস্তারিত পড়ুন

পরিযায়ী পাখিদের আগমনে প্রাণ ফিরেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে এসেছে হেমন্ত। হেমন্তে পরিযায়ী পাখির আগমনে মুখরিত হয়ে উঠে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। শীত আসতে না আসতেই সপ্তাহখানেক ধরে ঝাঁকে ঝাঁকে পরিযায়ী পাখি আসতে শুরু করেছে। এই পাখিগুলোর আগমনে যেন প্রাণ ফিরে পাচ্ছে নির্জন ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া, তাপসী রাবেয়া, রহমতুন্নেছা হলের পেছনের চামপঁচা, শামসুজ্জোহা হলের পাশের পুকুরসহ বেশ কয়েকটি জলাশয়ে বসেছে পরিযায়ী পাখির মেলা। সরালিরা ঝাঁক বেঁধে উড়ছে শাঁই শাঁই করে, খোলা আকাশে দু-এক চক্কর দিয়ে আবার নেমে আসছে। খুনসুটি করছে নিজেদের মধ্যে দিচ্ছে ডুবসাঁতার। কেউ স্বচ্ছ পানিতে ডানা ঝাপটাচ্ছে কেউ আবার পালকের ভেতর মুখ গুঁজে পোহাচ্ছে মিষ্টি রোদ। প্রতিবছর শীতজুড়ে অবাধ বিচরণ থাকে তাদের। এবারও পরিযায়ী পাখির কলকাকলি খুনসুটি আর জলকেলিতে নিসর্গমতি এই ক্যাম্পাস হয়ে উঠেছে স্বর্গ।

দুই ধরনের পাখি আসে রাবি ক্যাম্পাসে। এক ধরনের পাখি থাকে ডাঙায় বা ডালে। আরেক ধরনের পাখি থাকে পানিতে। তবে রাবির জলাশয়গুলোতে আসা বেশিরভাগ পাখিই হাঁস জাতীয়। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পাখিই ছোট সরালি। আর বাকিদের মধ্যে রয়েছে বড় সরালি, ল্যাঞ্জা হাঁস, খুন্তে হাঁস, ভূতি হাঁস ও ঝুঁটি হাঁস ইত্যাদি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পরিযায়ী পাখিদের দেখে উচ্ছ্বসিত হন। ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও অনেকে আসেন পরিযায়ী পাখি দেখতে। ক্যাম্পাসে এবার খুব বেশি পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটেছে বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি আ-আল মামুন। গত মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) ছাত্রী হল সংলগ্ন পুকুরে তিনি পরিযায়ী পাখিগুলো দেখতে পান। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে অন্যান্য সময় খুব কম পরিমাণে পরিযায়ী পাখির দেখা মেলে। তবে এবারে প্রচুর পরিমাণে পরিযায়ী পাখির আগমন আমাকে মুগ্ধ করেছে।

নিরাপদ আশ্রয় ও পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার পাওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটে বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে পরিযায়ী পাখিরা নিরাপদ আশ্রয় ও পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার পাওয়ায় গত কয়েকবছর ধরে আসছে। প্রতিবারের ন্যায় এবারেও এসেছে। ইতোমধ্যে তিনশ থেকে চারশ এর মতো সরালি পাখি পাড়ি জমিয়েছে ক্যাম্পাসে। এবং দিন দিন এর পরিমাণ বেড়েই চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, চলতি মাসের গত ৫ নভেম্বর থেকে পাখিরা আসতে শুরু করেছে। পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রহরীদের সতর্ক থাকতে বলেছি।