জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ইবি ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

প্রকাশিত: ১৮-০৮-২০২২, সময়: ১৬:২৮ |
Share This
ইবি প্রতিনিধি:

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

আলোনা সভায় ইবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাতের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া ও সাবেক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সেলিম তোহা।

আলোচনা সভায় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়ের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তন্ময় সাহা টনি, কামরুল হাসান অনিক, আরিফুল ইসলাম খান, রকিবুল ইসলাম, নাইমুর রহমান জয়, বনি আমিন, মৃদুল হাসান রাব্বি, মামুনুর রশিদ, সানজিদা চৌধুরী অন্তরা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার জাহান শিশির, মাসুদ রানা লিংকন, হোসাইন মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন, মাইনুল ইসলাম সিদ্দিকী, সোহাগ শেখ ও হামিদুর রহমান’সহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন হলের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করার পর মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। এই সাড়ে তিন বছরে বঙ্গবন্ধু শূন্য হাতে একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত পোড়ামাটির ভূখণ্ডকে নতুন করে সাঁজিয়েছিলেন। আমি জানিনা আপনাদের কারোর বাড়ি পোড়ার মতো দূর্ভাগ্য হয়েছিল কিনা। একটা বাড়ি যদি আগুনে পুড়ে যায় তার সবকিছু শেষ হয়ে যায় কিছুই বাকি থাকেনা, একখন্ড পোড়ামাটির ভূখণ্ড ছাড়া। বাংলাদেশকেও ওরকম পোড়ামাটির ভূখণ্ড বানিয়ে দিয়েছিলো পাকিস্তানিরা।

তিনি আরো বলেন, পাকিস্তানিরা যখন বুঝতে পেরেছিলো তাদের পরাজয় সুনিশ্চিত তখন তারা পরিকল্পনা করল দেশ যদি স্বাধীনও হয় কখনো যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। এভাবে তারা বাংলাদেশকে একাকার করে ফেলেছিলো। রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট কিছুই ছিলোনা। রাষ্ট্রীয় কোষাগার, গুদামগুলো ছিলো শূন্য, স্কুল-কলেজ সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছিল। এখন তো অনেক ধনী দেশ আছে যাদের কাছ থেকে সাহায্য পাওয়া যায়। সেসময় পৃথিবীতে এমন অর্থসম্পদশালী দেশও ছিলোনা। সেই অবস্থা থেকে বঙ্গবন্ধু শূন্য হাতে এতো সল্প সময়ের মধ্যে দেশের আমূল পরিবর্তন করে তাক লাগিয়ে দেয় গোটা বিশ্বকে। নয় মাসের মধ্যে সংবিধান হল। সিভিল সার্ভিস, পুলিশ বাহিনী, সেনা বাহিনী, নৌ বাহিনী, বিমান বাহিনী গঠন করেছিলেন। আদালতকে ঢেলে সাঁজিয়েছিলেন। একটা পরিপূর্ণ রাষ্ট্রের যতগুলো অর্জন আছে, বঙ্গবন্ধু কিন্তু তৈরি করে গিয়েছিলেন। যার ফলে আজকে আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পুরো বিশ্বকে দেখছি।’

Leave a comment

উপরে