‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২য় বার ভর্তির সুযোগ থাকা উচিত’- অধ্যাপক ড. মাহাবুবুর রহমান রতন

প্রকাশিত: ৬:২২ অপরাহ্ণ , ডিসেম্বর ১৬, ২০২০

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২য় বার ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহাবুবুর রহমান রতন।

কেন উচিত সেবিষয়ে একটি ১টি বিভাগের ছোট একটি পরিসংখ্যান নিম্নে তুলে ধরেছেন তিনি।

ফিশারীজ বিভাগ (ছাত্রের আসন সংখ্যা- ৫০ জন )
১. সেশন ২০১৬-১৭ঃ ২য় বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ ছিলো না ! ছাত্র ২৯ জন (পূর্বের সেশনের ফিরে আসছেন ৪ জন…অর্থাৎ ঐ সেশনের ছিলো ৫০ জনে ২৫)
২. সেশন ২০১৭-২০১৮ঃ ২য় বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ ছিলো !ছাত্র ৬১ জন (পূর্বের সেশনের ফিরে আসছেন ১৩ জন…অর্থাৎ ঐ সেশনের ছিলো ৫০ জনে ৪৮ )
৩. সেশন ২০১৮-২০১৯ঃ ২য় বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ ছিলো !ছাত্র ৪৮ জন (পূর্বের সেশনের ফিরে আসছেন ২ জন…অর্থাৎ ঐ সেশনের ছিলো ৫০ জনে ৪৬)
৪. সেশন ২০১৯-২০২০ঃ ২য় বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ ছিলো না ! ৩৬ জন ছাত্র ক্লাস করছেন (পূর্বের সেশনের ফিরে আসছেন ৯ জন…অর্থাৎ কারেন্ট সেশনে ছাত্র আছে ৫০ জনে ২৭)
পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ২য় বার সুযোগ থাকলে আসন ফাঁকা কম থাকে! হয়ত এমন বা কাছাকাছি পরিসংখ্যানই মিলবে বেশীরভাগ বিভাগে। অন্যান্য বিভাগে একটু তথ্য নিলেই এমন দেখা যাবে যোগ করেন তিনি।

যেখানে HSC পাশ করা ছাত্ররা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসনের অভাবে উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না। সেখানে আসন ফাঁকা রাখা বিলাসিতা নয় কি? বিশ্ববিদ্যালয় বাজেট আসে কিন্তু নির্ধারিত আসনের বিপরীতেই ফাঁকা আসনের বাজেট কাটা হয় না !

বারবার নিয়ম/সিষ্টেম পরিবর্তন করা ভাল নয়, সেটা ঠিকই। তবে প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনটি বেশি সঠিক তাও ভেবে দেখা উচিত। নিয়ম পরিবর্তন করার প্রস্তাব এবার হচ্ছে না এমনটা তো নয় ! গতবার লিখিত ছিলো, এবার বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইউনিট সংখ্যা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, পরীক্ষা ৩ সপ্তাহে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে !
দেশের জনগনের অর্থ/সম্পদকে যথাযথ ব্যবহার করা সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান/কর্তৃপক্ষের রাষ্ট্রীয় দ্বায়িত্ব ! চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আমাদের উচিত হবে ভালভাবে বিশ্লেষণ করা !

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সঠিক সিদ্ধান্তই নিবেন এমনটাই কামনা করছি।

-[রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহাবুবুর রহমান রতনের ফেসবুক থেকে ]

প্রিয় পাঠক, আপনিও লিখতে পারেন আমাদের পোর্টালে। কোন ঘটনা, পারিপাশ্বিক অবস্থা, জনস্বার্থ, সমস্যা ও সম্ভাবনা, বিষয়-বৈচিত্র বা কারো সাফল্যের গল্প, কবিতা,উপন্যাস, ছবি, আঁকাআঁকি, মতামত, উপ-সম্পাদকীয়, দর্শনীয় স্থান, প্রিয় ব্যক্তিত্বকে নিয়ে ফিচার, হাসির, মজার কিংবা মন খারাপ করা যেকোনো অভিজ্ঞতা লিখে পাঠান সর্বোচ্চ ৩০০ শব্দের মধ্যে। পাঠাতে পারেন ছবিও। মনে রাখবেন দৈনিক আলোকিত ভোর.কম পোর্টালটি সকল শ্রেণী পেশার মানুষের জন‌্য উন্মুক্ত। তাছাড়া, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার স্বাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবর অথবা লেখা মান সম্পন্ন এবং বস্তুনিষ্ঠ হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে। লেখা পাঠানোর ইমেইল- dailyalokitovor@gmail.com