বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে যেভাবে সত্যি হয়েছিল বাঙালি জাতির বহুল প্রতীক্ষিত স্বপ্ন  “স্বাধীনতা”

প্রকাশিত: ৮:৩৫ অপরাহ্ণ , ডিসেম্বর ১৮, ২০২০

মোঃ লিখন হোসেন (নিরব): সুদূর অতীতকাল থেকেই আমাদের এই অঞ্চলের  উর্বর ভূমিরূপ বিশ্ববাসীর  আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে কালে কালে  আমরা ভিন্ন ভিন্ন  বহিরাগত শাসকদের হাতে শাসন ও শাসনের নামে  শোষণের শিকার হয়েছি বহুবার।

তবে প্রায় দুইশো  বছরের ব্রিটিশ-উপনিবেশের অংশ ও পাকিস্তানিদের পঁচিশ বছরের  শোষণের কবল থেকে মুক্ত হয়ে আমরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।

বিশ্বের বুকে আমরা এখন উন্নয়নশীল ও বিকাশমান একটি রাষ্ট্র যার নাম ‘বাংলাদেশ’। কিন্তু আমাদের আজকের এই অবস্থানে আসার পথটা অতটা মসৃণ ছিলো না। যুগে যুগে আমাদের ভূখণ্ডের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। আমাদের ভাষা পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়েছে।

কিন্তু আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যে লালিত মন কোনো প্রলোভনেই পা দেয়নি। আমাদের  পূর্বপুরুষদের উপর  চাপিয়ে দেওয়া সব কিছুর প্রতিই তারা  বিদ্রোহ করেছে।  হইতো এজন্যই আন্দোলনমুখর এই বঙ্গকে  মরোক্কের পরিব্রাজক তার রচিত ‘কিতাবুল-রেহালা’ গ্রন্থে  নাম দিয়েছিলেন   ‘বুলগাকপুর’ বা ‘বিদ্রোহের নগরী’

তবে এই বিদ্রোহ যেন কিছুতেই থামছিলো না। আর আমদের পূর্ব পুরুষেরা একজন মহানায়কের অপেক্ষায় ছিলো যে কিনা তাদেরকে বিদেশি শাসনের নামে শোষণের হাত থেকে পুরোপুরি মুক্তি দিতে পারে কিন্তু প্রতিক্ষার প্রহর যেন কাটছিলোই না।

অবশেষে ১৭ই মার্চ ১৯২০ সালে সকল প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে শেখ লুৎফর রহমান ও সায়েরা খাতুন দম্পত্তির ঘর আলো করে জন্ম নেয় এক শিশু। আদর করে শিশুটির তার  নানা নাম রাখেন ‘খোঁকা’। বাল্যকাল হতেই খোঁকা সাধারণ মানুষের দুঃখে কষ্ট পেতেন এবং ভাবতেন কি করে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করা যায় বিদেশি শক্তির হাত থেকে। অন্যায় দেখলেই প্রতিবাদ করে বসতেন। প্রতিবাদ যেন তার রক্তের সাথে মিশে ছিলো।

তাই কৈশোরেই তিনি জড়িয়ে পড়েন বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে। বৃটিশরা দেশ ছেড়ে চলে গেলে যৌবনে  নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন মাতৃভাষা রক্ষার জন্য  ভাষা আন্দোলনে। সর্বশেষ স্বাধীনতা আন্দোলনে এই খোঁকাই হয়ে ওঠে বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রোষ্ঠা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি “জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান”।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে সর্বপ্রথম দেশ হিসেবে এই ভূখণ্ডের নাম “বাঙলা দেশ” নামের সন্ধান পাওয়া যায় ঋগ্বেদের “ঐতরেয়ো অরণ্যক” গ্রন্থে। ” ঐতরেয়ো অরণ্যক” গ্রন্থে এই ভূখণ্ডের নাম বাঙলা থাকলেও বিভিন্ন সময়  ভিন্ন ভিন্ন শাসকগোষ্ঠী নিজেদের  ইচ্ছা মতো নাম বদলের চেষ্টা করেছে। কিন্তু বাঙলার  আপামর জনগণ তাদের অঞ্চলকে বঙ্গ বা বাংলা বলে ডাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতো।

তবে দেশের নাম ও ভাষা পরিবর্তনের জন্য  সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে পাকিস্তানিরা। ১৯৪৭ সালে যখন  ব্রিটিশরা বিদায় নেয়, তখন পুরো বাঙ্গকে ভেঙে দুইভাগে বিভক্ত করে। যার নাম দেওয়া হয় পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশে এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অংশের মধ্যে পড়ে।

কিন্তু আমাদের পূর্ববঙ্গের সাথে পশ্চিম পাকিস্তানের ১২শ কিলোমিটারের দুরত্ব থাকার কারণে পরবর্তিকালে পাকিস্তানের শাসকেরা আমাদের দেশের নামকরণ করেন “পূর্বপাকিস্তান”। আর উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন।

কিন্তু আমাদের দেশের তরুণেরা তা মেনে নিতে পারেনি যার ফলশ্রুতিতে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। শেষ পর্যন্ত ১৯৫২ সালে এক রক্তস্নাত দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায় করে নেয়  এদেশের ছাত্র-জনতা।

তবে মুলত ভাষা আন্দোলন শুরু হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পরের বছরেই অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে। আর তখন থেকেই  এই আন্দোলনের পুরোধা পুরুষ ছিলেন তরুণ ছাত্র নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। যার ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন কারণ দেখিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে আটক করা হয়। তবে যথাযথ কারণ দেখাতে না পেরে ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে।

তবে অক্টোবর মাসে মিথ্যা মামলায় আটক করা হয় তাকে। প্রায় তিন বছর চার মাস জেলে বন্দী করে রাখা  হয় তাকে। অবশেষে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে ছাত্রনেতা শেখ মুজিবকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন  পাকিস্তান সরকার।

১৯৫২ সালে জেল থেকে মুক্তি পাবার পর আওয়ামীলীগের নেতা হিসেবে  চীনে  অনুষ্ঠিত ‘শান্তি সম্মেলনে’ যোগ দিতে চীনে যান শেখ মুজিবুর রহমান। চীনে গিয়ে তিনি চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন এবং তিনি তখন তার দেশ পূর্বপাকিস্তানকে অন্তরে গভীরভাবে অনুভব করেন।

আসলে তার জন্মভূমিকে সে পূর্বপাকিস্তান ভাবতে নারাজ ছিলেন। তাই চীনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে পূর্ববঙ্গের সাদৃশ্য খুজতে শুরু করেন। যার ফলশ্রুতিতে তিনি তার মাতৃভূমির প্রতি গভীর প্রেমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন এবং তা ডায়রিতে লিখে রাখেন। যা আমরা বর্তমানে ‘নয়াচীন ভ্রমণ’ বই নামে পেয়ে থাকি।

এরপর যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে জয়লাভের পর শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব বঙ্গের কৃষি ও সমবায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে ১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের করাচিতে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের সম্মেলনে পূর্বপাকিস্তানের সদস্য হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি ‘পূর্ববঙ্গকে’ ‘পূর্বপাকিস্তান’ বলতে আপত্তি জানান এবং প্রতিবাদ করে বসেন

এবং তিনি গণপরিষদের কাছে দাবি রাখেন যদি পূর্ববঙ্গের নাম পরিবর্তন করতেই হয় তাহলে পূর্ববঙ্গের মানুষের মতামতের ভিত্তিতে করতে হবে কারন তাদের আলাদা নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রয়েছে। যা আপনারা চাইলেই পরিবর্তন  করতে পারেন না।  যদি করেন তবে সেটা পুরোপুরি অন্যায়।

এরপর নানা সংগ্রামে কেটে যায় বহুবছর। এর মধ্যে বিভিন্ন শাসক সময় ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে পূর্ববঙ্গকে শাসনের নামে শোষণ করতে থাকে। অবশেষে ১৯৬৯ সালে অত্যাচারের মাত্রা সহ্য না করতে পেরে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে শুরু করে।

গণ-আন্দোলন রূপ নেয় গণঅভ্যূত্থানে। এই সময় থেকেই পূর্ববঙ্গের সাধারণ জনগণ আয়ুবখানের সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করে ‘ বীর বঙালী অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’। তবে তখনও পূর্ববঙ্গের নাম ‘বাংলাদেশ’ হয়নি।

এরূপ পরিস্থিতিতে ৫ই অক্টোবরে গণতন্ত্রের মানসপূত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তৎকালীন আওয়ামীলীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব-বাংলার নামকরণ করেন ‘বাংলাদেশ’।

এই সভায় বঙ্গবন্ধু বলেন ” এক সময় এদেশের বুক হতে”, মানচিত্রের বুক হতে বাংলা কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকু চিরতরে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। একমাত্র ‘বঙ্গোপসাগর’ ছাড়া আর কোথাও কোন কিছুর সাথেই বাংলা কথার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না।

জনগণের পক্ষ হতে আজ আমি ঘোষণা করছি আজ থেকে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম  পূর্ব-পাকিস্তানের পরিবর্তে নাম হবে শুধুই ‘বাংলাদেশ’ একই দিয়ে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও আতাউর রহমান খান ‘বাংলাদেশ’ নামকে সমর্থন করেন এবং বলেন আমদের স্বাধীন দেশের নাম হবে ‘বাংলাদেশ’।

গণ-অভ্যুত্থানের পর গণ- আন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের স্বৈরসরকার ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। উক্ত নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ নিরঙ্কুশ জয় লাভ করলেও  ক্ষমতা হস্তান্তর করে সরকার গঠন করতে তো দেয়ই নি বরং অন্যায় অত্যাচারের মাত্রা বাড়াতে শুরু করে।

বাঙালি জাতির এই দুঃখ দুর্দশা দেখে বঙ্গবন্ধু খুবই ব্যাথিত হন এবং সারাক্ষণ মুক্তির চিন্তায় বিভোর হয়ে পড়েন। অবশেষে ৭ ই মার্চ ১৯৭১ সালে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে এক বিরাট সমাবেশে পেশ করেন এক জ্বালাময়ী ভাষণ, রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেব, তবুও এইদেশকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ্ “এবারের সংগ্রাম, আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।”” এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম “।

এই ভাষনেই ও তিনি সমস্ত বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেন। যার ফলশ্রুতিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালী যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এবং এই ভাষণে তিনি আমাদের দেশকে ‘বাংলাদেশ’ বলে আবারও ঘোষণা করেন।

এরপর দেশদ্রোহী আখ্যা দিয়ে আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে  পাকিস্তান সরকার  বঙ্গবন্ধুকে মুক্তিযুদ্ধের সারাটা সময় তাকে জেলে বন্দী করে রাখেন এবং অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে তার উপর , মেরে ফেলার হুমকিও দেয় তবুও তিনি পাকিস্তানিদের কাছে নত হন নি।

সেসময় বঙ্গবন্ধু শুধু একটা কথাই বলেছিলেন ” তোমরা আমাকে মেরে ফেললেও আমার কোন আপত্তি নেই,  তোমাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ, আমার লাশটা আমার বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিও, আমি বাংলাদেশের মাটিতেই চিরকালের মতো ঘুমিয়ে  থাকতে চায়”।

তবে জনগণের আন্দোলনের চাপে পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী তাকে চিরতরে  মেরে ফেলতে  পারে নি। এরমধ্যেই দীর্ঘ নয়মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে ত্রিশ লক্ষ শহীদের এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ১৬ ই ডিসেম্বর আমরা অর্জন করি হাজার বছর ধরে বাঙালি জাতির লালিত স্বপ্ন একটা লাল-সবুজের পতাকা আর বিশ্ব মানচিত্রে একটা স্বাধীন দেশের মর্যাদা। সেই থেকে ‘বাংলাদেশ’ শুধুই আমাদের।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও স্বাধীনতার মুল স্বপ্নদ্রোষ্ঠা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান  শেখ মুজিবুর রহমানকে আটকে রাখা হয় পাকিস্তানের কারাগারেই। অবশেষে ৮ ই জানুয়ারি করাচি কারগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয় তাকে।

তারপর করাচি থেকে লন্ডন হয়ে ১০ ই জানুয়ারি তার স্বপ্ন দেখা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রে পা রাখেন আমাদের জাতির পিতা  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সে দিন শেখ মুজিবকে এক পলক দেখার জন্য যে জনস্রোত হয়েছিল তা মনে করে দিয়েছিল তারা কতটা ভালোবাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে।

সেদিন হতে আজ প্রায় পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেছে তবু্ও  বাঙালি জাতির মন হতে এতটুকু ও মলিন হয়নি সেদিনের স্মৃতি। আমরা  ভুলিনি আমাদের স্বাধীন হওয়ার পিছনে তার অবদান। যতদিন বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতি  থাকবে ঠিক  ততদিন শেখ মুজিবুর রহমান থাকবে তার বাঙালি জাতির মণনে, চিন্তাই, চেতনাই। তার আদর্শ প্রেরণা যোগাবে বাঙালি জাতির প্রতিটি সংগ্রামে।

অবশেষে এই কথায় বলতে চাই, “যতদিন রবে পদ্মা,মেঘনা,যমুনা বহমান, ততদিন রবে কীর্তি তোমার, শেখ মুজিবুর রহমান”

লেখক-শিক্ষর্থী, সমাজকল্যাণ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।
সদস্য, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম।

প্রিয় পাঠক, আপনিও লিখতে পারেন আমাদের পোর্টালে। কোন ঘটনা, পারিপাশ্বিক অবস্থা, জনস্বার্থ, সমস্যা ও সম্ভাবনা, বিষয়-বৈচিত্র বা কারো সাফল্যের গল্প, কবিতা,উপন্যাস, ছবি, আঁকাআঁকি, মতামত, উপ-সম্পাদকীয়, দর্শনীয় স্থান, প্রিয় ব্যক্তিত্বকে নিয়ে ফিচার, হাসির, মজার কিংবা মন খারাপ করা যেকোনো অভিজ্ঞতা লিখে পাঠান সর্বোচ্চ ৩০০ শব্দের মধ্যে। পাঠাতে পারেন ছবিও। মনে রাখবেন দৈনিক আলোকিত ভোর.কম পোর্টালটি সকল শ্রেণী পেশার মানুষের জন‌্য উন্মুক্ত। তাছাড়া, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার স্বাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবর অথবা লেখা মান সম্পন্ন এবং বস্তুনিষ্ঠ হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে। লেখা পাঠানোর ইমেইল- dailyalokitovor@gmail.com