ফসলের জমির মাটি কেটে ইট তৈরি!

প্রকাশিত: ১:০০ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ১১, ২০২১

লিখন হোসেন (নিরব): ফসলের জমির মাটি কেটে ইটের ভাটাগুলোতে ইট তৈরির রীতি আমাদের দেশে নতুন কিছু নয়। এই রীতি আমাদের দেশে বহুকাল ধরেই চলে আসছে।

তবে বর্তমানে ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে সেখানকার ইটের ভাটা মালিকরা কৃষকদের বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে কেটে নিচ্ছে হাজার হাজার হেক্টর আবাদি জমির মাটি ।

প্রথমে একজন কৃষক ইটভাটা মালিকদের প্রস্তাবে প্রলুব্ধ হয়ে যখন তার নিজের জমির মাটি বিক্রি দিচ্ছে তখন উক্ত জমির মাটি কাটার পরে তা নিচু জমিতে পরিণত হচ্ছে আর তার কিছুদিনের মধ্যেই পাশের জমি গুলোর কখনও আইল আবার কখনও বা পুরোপুরি জমিই ধসে পড়ছে ওই মাটি কাটা নিচু জমিতে। যার ফলে পাশের জমিওয়ালাও মাটি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে প্রতিবছর ক্রমশ কমে আসছে এখানকার আবাদি জমির পরিমাণ।

ঝিনাইদহ কৃষি বিভাগও বলছে একই কথা। তাদের তথ্যমতে, গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে ঝিনাইদহের আবাদি জমির পরিমাণ ৫৫ হাজার হেক্টর থেকে হ্রাস পেয়ে বর্তমানে ৫০ হাজার হেক্টরে দাড়িয়েছে।

শুধু পাঁচ বছরের ব্যাবধানেই যদি ৫ হাজার হেক্টর আবাদি জমি কমে যায় তাহলে আর কিছুবছর পর কি সেখানে ফসল চাষ করার জন্য কোন জমিই অবশিষ্ট থাকবে কি না তা ভাববার বিষয়। এমন অরাজক পরিস্থিতি চলতে থাকলে কিছু বছরের মধ্যেই এখানে আবাদি জমির পরিমাণ শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।

কিন্তু এতবড় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার কেউ কি নেই!? তাই উক্ত বিষয় গুলো খতিয়ে দেখে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অতিদ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

লেখক- মোঃ লিখন হোসেন (নিরব)
শিক্ষার্থী, সমাজকল্যান বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া।

দৈনিক আলোকিত ভোর/জয়

প্রিয় পাঠক, আপনিও লিখতে পারেন আমাদের পোর্টালে। কোন ঘটনা, পারিপাশ্বিক অবস্থা, জনস্বার্থ, সমস্যা ও সম্ভাবনা, বিষয়-বৈচিত্র বা কারো সাফল্যের গল্প, কবিতা,উপন্যাস, ছবি, আঁকাআঁকি, মতামত, উপ-সম্পাদকীয়, দর্শনীয় স্থান, প্রিয় ব্যক্তিত্বকে নিয়ে ফিচার, হাসির, মজার কিংবা মন খারাপ করা যেকোনো অভিজ্ঞতা লিখে পাঠান সর্বোচ্চ ৩০০ শব্দের মধ্যে। পাঠাতে পারেন ছবিও। মনে রাখবেন দৈনিক আলোকিত ভোর.কম পোর্টালটি সকল শ্রেণী পেশার মানুষের জন‌্য উন্মুক্ত। তাছাড়া, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার স্বাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবর অথবা লেখা মান সম্পন্ন এবং বস্তুনিষ্ঠ হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে। লেখা পাঠানোর ইমেইল- dailyalokitovor@gmail.com