জাতীয়

১৭২ বছর পর বিরল সূর্যগ্রহণ কাল: সূর্যকে গিলে খাবে চাঁদ

আগামীকাল মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বরে ২০১৯ )বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। বাংলাদেশ থেকে এই মহাকাশীয় ঘটনাটি আংশিক দৃশ্যমান হবে বলে জানিয়েছে মহাকাশ বিষয়ক মার্কিন ওয়েবসাইট space.com।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা এবং মালয়েশিয়া থেকেও দেখা যাবে এই সূর্যগ্রহণ। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে আটটায় শুরু হবে এই সূর্যগ্রহণ চলবে আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে।

সূর্যগ্রহণের সময় সূর্য ঢেকে যায় অন্ধকারে। এবারের সূর্যগ্রহণে ‘হারিয়ে যাওয়ার পর’ ধীরে ধীরে সূর্যের চারপাশে ফুটে উঠতে শুরু করবে আগুনের গোলক। একে বলা হয় ‘‘রিং অব ফায়ার’’ বা অগ্নিগোলক। সর্বশেষ ১৭২ বছর আগে এমন অদ্ভুত দৃশ্য দেখেছিল পৃথিবীবাসী। তাই এবারের সূর্যগ্রহণকে বলা হচ্ছে বিশেষ।

প্রসঙ্গত, চাঁদ যখন নিজের কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে আসে এবং পৃথিবীর ওপর একটি ছায়া ফেলে তখন সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। অর্থাৎ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ অন্তরায় হয়ে গেলে সূর্যকে আর দেখা যায় না। চাঁদের এই ঢেকে ফেলার ফলে গ্রহণটি আংশিক হতে পারে, পূর্ণগ্রাস বা বলয়াকার হতে পারে।

স্পেসডটকম বলছে, এবারের সূর্যগ্রহণটি হবে “অ্যানুলার” (annular) বা বলয়াকার। এটি “আগুনের বলয়” (ring of fire) নামেও পরিচিত। যখন চাঁদ তার কেন্দ্র থেকে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে তখন চাঁদের ঢেকে দেওয়া অংশটুকু বাদে সূর্যের বাকিটা দৃশ্যমানই থাকে। দেখে যেন মনে হয় একটা সোনালি রঙের আংটি। এই ধরণের সূর্যগ্রহণকেই বলয়াকার সূর্যগ্রহণ বলে। সুতরাং, এই বছর, চাঁদ সূর্যকে মাঝখান থেকে ঢেকে ফেলবে, এবং সূর্যের প্রান্তকে “আগুনের আংটি” বা “আগুনের বলয়” হিসেবেই দেখা যাবে।

উল্লেখ্য, কোনোভাবেই খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখা উচিত নয়। সূর্যগ্রহণ দেখার সময় চোখে অবশ্যই সানগ্লাস পরার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

Tags

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close