Uncategorizedপাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়

ভারতে চিকিৎসারত রাবি শিক্ষার্থীর সাহায্যের আকুতিঃ প্রয়োজন দেড় লক্ষ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
“মানুষ মানুষের জন্য
জীবন জীবনের জন্য
একটু সহানুভূতি কি
মানুষ পেতে পারে না…ও বন্ধু।”
ভূপেন হাজারিকা এই গান যেন মানবতার কথা বলে অবিরাম। ধনী ব্যক্তিদের কাছে হয়তো দেড় লক্ষ

টাকা তেমন কিছুই নয়। কিন্তু একটা দরিদ্র পরিবারের পক্ষে এই টাকাটা যোগাড় করাটাই কঠিন। বিশেষ করে এই মহামারীতে।

একদিকে  তিন বেলা খেয়ে বেঁঁচে থাকার যুদ্ধ, আর অন্য দিকে আদরের সন্তানকে সুস্থ্য করে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা। সেই যুদ্ধে শামিল হয়ে অনেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সেই টাকায় চলছিল চিকিৎসা।

কিন্তু ইতোমধ্যে অর্থ প্রায় শেষের দিকে। সামনের দিনগুলোতে কিভাবে চলবে চিকিৎসা আর কিভাবে দেশে ফিরবে সেইটা অজানা। এই মুহুর্তে ছেলেটির প্রয়োজন দেড় লক্ষ্য টাকার।

দিন মজুর পিতা ছেলের চিকিৎসার জন্যে প্রতিবেশী, আত্মীয় স্বজনের নিকট থেকে আগেই প্রায় দেড় লক্ষ্য টাকা ঋণ করে ফেলেছে। করোনার থাবায় হারিয়েছে কর্ম। বলছিলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী  মো: আনোয়ারুল ইসলামের কথা।

তার বাড়ি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার নামুড়ী গ্রামে। দীর্ঘদিন থেকে ফুসফুসের কার্ছিনয়েড টিউমার রোগে ভুগতেছিল। পরে দেশের চিকিৎসকদের পরামর্শে ভারতে যায় চিকিৎসা নিতে। প্রাথমিক অবস্থায় টাকার সংস্থান করে তার বিভাগ, জেলা সমিতি, স্থানীয় ব্যাক্তিগত  ও তার বন্ধুরা। কিন্তু সেই অর্থে সম্পুর্ণ চিকিৎসা ব্যয় সম্ভব নয়। চিকিৎসা ও ওষুধ ক্রয়সহ দেশে ফিরে আশার জন্যে  এখন প্রয়োজন দেড় লক্ষ টাকার।

ভারতের চেন্নাই এ্যাপোলো ক্যান্সার হাসপাতালে  ফুসফুসের টিউমারের (১২.৫*৭.৫*৬.৫) অপারেশন করানো হয়। আমার অপারেশনে কেটে নেওয়া টিউমার টার বায়োপ্সি টেস্টে ক্যান্সার ধরা পড়ে ছেলেটির । যার নাম হলো mucoepidermoid carcinoma.

ডাক্তার তাকে জানিয়েছে, তার বয়স কম ফলে কেমোথেরাপি অথবা রেডিওথেরাপি দিলে খুব খারাপ সাইডইফেক্ট পড়বে তার উপর। এজন্য তারা কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি না দিয়ে একধরনের বিশেষ ট্যাবলেট দিবে যেটা কেমোথেরাপি /রেডিওথেরাপির কাজ করবে।
এখন কোন মাত্রার ট্যাবলেট দিতে হবে এটা কনফার্ম হওয়ার জন্য আমার শরীরের জিন টেস্ট (EGFR,ALK,ROS test) করিয়েছে গত ২ এপ্রিল। ৩ সপ্তাহ পর সব রিপোর্ট পাবে সে।এই টেস্টের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে ওই ট্যাবলেট দিবে।

ডাক্তার তাকে আরো জানিয়েছে, এই ক্যান্সার টা আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা ১০%। এটা যেন আবার ফিরে আসতে না পারে সেজন্য রেগুলার ফলো আপের মধ্যে থাকতে হবে।আগামী ২ বছর প্রতি ৩ মাস পরপর এবং তার পরের ৩ বছর প্রতি ৬ মাস পরপর ডাক্তারের সাথে ফলো আপ করতে হবে।

৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পরে যতদিন বেচে থাকবো বছরে ১বার করে ডাক্তারের সাথে ফলো আপ করতে হবে। শারীরিক অবস্থা জানার জন্য ২০২১ সাল থেকে প্রতি বছর ১ বার করে সম্পূর্ণ বডি স্ক্যান (PET CT) টেস্ট করাতে হবে।

এ পর্যন্ত তার চিকিৎসার জন্য প্রায় ৭৬০০০০ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান তিনি। এই অবস্থায় তার চিকিৎসা খরচ বহনের পাশাপাশি পড়ালেখা প্রায় অনিশ্চিত। সব হারিয়ে তার পিতা মাতাও দিশেহারা।  চিকিৎসা আর পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার জন্যে অকুতি জানিয়েছে তার ফেসবুকের টাইমলাইনে লিখেছেন তিনি। ফলে আমাদের একটু সদয় দৃষ্টি আর সহযোগিতা পারে তার এই আকুতি কে পূর্ণ করতে।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: বিকাশ:০১৭৯২০০৮৮৬৯(পার্সোনাল), ডাচ বাংলা:০১৭৪৯১৮৩৫৫৩৮ (পার্সোনাল) MD Anwarul Islam
DBBL Account No: 2941510007985
Lalmonirhat Branch
IBBL Account No: stu – 2442
Rajshahi Branch.

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page
Close
Close