ওসি অসীম কুমারের নেতৃত্বে জনসেবার কেন্দ্রবিন্দু এখন হিজলা থানা

প্রকাশিত: ৮:৩৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৪, ২০২১

ওসি অসীম কুমারের নেতৃত্বে জনসেবার কেন্দ্রবিন্দু এখন হিজলা থানা

আবু সাঈদ সজল ও সোহরাব রাজিবঃ জনগনের জানমালের নিরাপত্তা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাই আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব। সেই দায়িত্বকেই সঠিকভাবে পালন করে যাচ্ছে বরিশালের হিজলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অসীম কুমার সিকদার।

তিনি এই উপজেলার ওসির দায়িত্বে আসার পর থেকে জনগনকে পুলিশি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে নদ-নদী দ্বারা বিভক্ত থানার দূরের ও দুর্গম এলাকায় পুলিশ ক্যাম্প গুলোর তৎপরতা ঢেলে সাজিয়েছেন। এসব তৎপরতায় খুব সহজেই সাহায্য প্রার্থীকে সহায়তা পেয়ে থাকেন। এবং এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে আইনী ব্যবস্থা নেন তিনি। এসব বিষয়ে ওসি অসীম কুমারকে সার্বিক দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন বরিশাল জেলার এসপি মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম।

ক্যাম্পর সক্ষমতা সম্পর্কে ওসি অসীম বলেন, ক্যাম্প থেকে আশেপাশের যেকোন জায়গায় যেতে আমার সদস্যদের সময় লাগে সর্বোচ্চ ২০-২৫ মিনিট। তেমনই একটি ক্যাম্প হলো সাওড়া বাজার ও হিজলাগৌরবদী ক্যাম্প। ক্যাম্প প্রধান দারোগা নজরুল ইসলাম বলেন:আমাদেরকে যখন কেউ কোন সমস্যার কথা বলে তখনই আমরা দ্রুত ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করি।

তাছাড়া, ওসি অসীম আসার পর জন-জীবনের ছোট-খাটো সমস্যা সমাধানের জন্য ক্যাম্প পুলিশের পাশাপাশি চালু রাখা হয়েছে বিট পুলিশিং কার্যক্রম। সপ্তাহের ২ থেকে ৩দিন থানা থেকে একজন অফিসার আসে ইউনিয়ন পরিষদের এবং ক্যাম্পে। যাতে করে ছোট -খাটো কোন বিষয়ের জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে থানায় যেতে না হয়। বিট পুলিশিং ব্যবস্থায় নানান সমস্যা সমাধান হচ্ছে খুব সহজেই বলে জানান ভুক্তভোগী জনগন।

ওসি অসীম কুমার সিকদারের নেতৃত্বে থানা এখন জনবান্ধব এবং জনসেবার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে।

হিজলা থানার সেবা নিয়ে গত ফেব্রুয়ারীতে মাসের শেষের দিকে থানায় জিডি করতে আসা একজন ভিকটিমের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, “থানায় ঢুকতেই দেখা হয় ডিউটি অফিসার বিল্লাল স্যারের সাথে জিডির কথা বলতেই নিয়ম-কানুন সব বলে দিল। রখাস্ত করলাম জিডি গ্রহণ করল।
বললাম চলেন চা খাই, হাসি মুখে বলল। না, ধন্যবাদ। অনেকটা অবাক হয়ে ফিরে আসলাম।”

তিনি বলেন, “শুনেছি থানায় নাকি সব কাজে কিছু হাদিয়া লাগে। সেবার মান এখন অনেক উন্নত।কাউকে কোন হাদিয়া দিতে হয় না।”

সার্বিক বিষয়ে ওসি অসীম কুমার সিকদার বলেন, “আমরা মাঠ পর্যায়ে শৃঙ্খলা আনয়নে সকল ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি। ঝাটকা ইলিশ বন্ধে নৌ-পুলিশকে সর্বদা তৎপর রেখেছি। করোনা সচেতনতায় মাইকিং এবং মাস্ক বিতরণ করেছি। এবং জনগনের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সভা-সেমিনার করে যাচ্ছি। তাছাড়া, কোন সেবা প্রার্থী অভিযোগ দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার নেয়ার চেষ্টা করি। ছোট খাটো ঝামেলা আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করি।”

তিনি বলেন, “যারা অসহায়,দুস্থ ও গরীবদেরকে আমরা বিনা খরচে সহায়তা করে থাকি। আমাকে এসব বিষয়ে সার্বিক দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন এসপি স্যার মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম। উপজেলার জনগনের জান-মাল নিরাপত্তায় সর্বদা তৎপর হিজলা উপজেলা পুলিশ।”

::বরিশালের হিজলা থানা ঘুরে প্রতিবেদনটি করেছেন আবু সাঈদ সজল ও সোহরাব রাজিব। উপজেলার প্রতিটি দপ্তর নিয়ে শিঘ্রই বিশেষ প্রতিবেদন আসছে। চোঁখ রাখুন দৈনিক আলোকিত ভোরে।::

ফেসবুকে আমরা

পুরাতন সব সংবাদ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

এই মাত্র পাওয়া